ঢাকা ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পদত্যাগ করলেন বিচারপতি নাইমা হায়দার মোবাইল নিয়ে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আশ্বাস ইসির পরিকল্পনাগুলো কাজে লাগিয়ে নিরাপদ দেশ গড়তে চায় বিএনপি: তারেক রহমান নির্বাচনের আগে পদোন্নতি পেলেন পুলিশের ১৫৩ কর্মকর্তা ভোটকেন্দ্রে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ আনসার মহাপরিচালকের ৮১ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থান নিষিদ্ধ রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা: ইসি আনোয়ারুল মধ্যরাতে শুরু হচ্ছে মোটরসাইকেল চলাচলে ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি সাদিক কায়েমের

নীলফামারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

#

০৮ নভেম্বর, ২০২৩,  12:28 PM

news image

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীতে এ.আর ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করেন সাবেক মন্ত্রী ও সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান নূর। অনুষ্ঠানে এ.আর ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রউফ (রউফুল) এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নীলফামারী পৌরসভার মেয়র কৃষিবিদ দেওয়ান কামাল আহমেদ,  সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, নীলফামারী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক নূরুল করিম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ রহমান, পৌরসভা কাউন্সিলর তন্বী তালুকদার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে মানুষ তৈরির কারখানা। শিক্ষা অর্জন করবা জ্ঞানের জন্য, নম্বর বা প্রথম স্থানের জন্য নয়। শুধুমাত্র ক্লাসের বই পড়ে জীবনের পরীক্ষায় পাস করা যাবে না। কিন্তু পরিক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়ার জন্য জন্য এখন সন্তানের উপর নির্যাতন করে অভিভাবকরা। আমি এর নাম দিয়েছি জিপিএ-৫ নির্যাতন।' তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশে এখন দুইটি সমস্যা। একটি দেশে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম । পাঠ্যপুস্তকের বাইরে বই পড়তে হবে। এখনকার শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরীতে যায় না। লাইব্রেরি হচ্ছে জ্ঞানের ভান্ডার, জ্ঞানের সমুদ্র। জ্ঞানের সমুদ্রে তোমাদের ডুব দিতে হবে। আপনারা (অভিভাবকরা) সন্তানদের যত শাষন করবেন ততই তারা ফেসবুক টিকটকে দিকে আসক্ত হবে। তাদের একটু স্বাধীনতা দিন, তাদের খেলতে দিন, তারা যেটা করতে চায় সেটি করতে দিন। দেখবেন তারা ভালো করবে।'

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম