ঢাকা ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বগুড়ায় গ্রেপ্তার হিরো আলম সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি ‘মেরুদণ্ড সোজা রেখে’ সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় সরকার: শামা ওবায়েদ কক্সবাজারে মেসুত ওজিল, সঙ্গে এরদোয়ানের ছেলে বিলাল দুর্নীতি বা তদবির বাণিজ্য সহ্য করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী রমজানেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড: আবদুল আউয়াল মিন্টু দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ছাতক শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করবে না এই সরকার: ববি হাজ্জাজ

নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

৩০ এপ্রিল, ২০২২,  11:04 AM

news image

জাটকা সংরক্ষণে দেশের ৫টি অভয়াশ্রমে দুই মাস জাটকা ধরা নিষিদ্ধ ছিল। সেই নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আজ চাঁদপুরের ৫২ হাজার জেলে পদ্মা ও মেঘনা নদীতে ইলিশ ধরতে নামছেন। ইতিমধ্যে নদীতে নামার সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছেন তারা। এতে জেলেপাড়ায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। জানা গেছে, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে জাটকা সংরক্ষণে অন্যান্য স্থানের মতো চাঁদপুরের মতলব উত্তর ষাটনল থেকে হাইমচরের চরভৈরবী পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার এলাকায় দুই মাস জাটকা ধরা নিষিদ্ধ ছিলো। এতে জেলেরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় নিবন্ধিত ৪৪ হাজার ৩৫ জন জেলেকে খাদ্য সহায়তা দেয় সরকার। সহায়তা পেলেও মাছ ধরতে না পারায় ঋনে জর্জরিত হয়ে আছেন জেলেরা। এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলার মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান জানান,

জাটকা সংরক্ষণে প্রায় দুই মাস চাঁদপুর, ভোলা, লক্ষীপুরসহ দেশের ৫টি স্থানে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিলো। এবারের নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে কার্যকর হওয়ায় এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে ইলিশের উৎপাদন খুব একটা বাড়বে বলে মনে করছেন না জেলেরা। কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন, চাঁদপুরে কিছু জেলে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলেও রাতে মেঘনার চরাঞ্চলে জাটকা নিধন করা হয়েছে দেদারছে। সেখানে টাস্কফোর্সও পৌঁছাতে পারেনি। চাঁদপুর সদর উপজেলার আনন্দ বাজার, হরিনা, বহরিয়া, লক্ষ্মীপুরসহ বেশ কয়েকটি স্থান ঘুরে দেখা গেছে, জেলেদের নৌকা মেরামতের কাজ শেষ। আজ মধ্যরাত থেকে তারা নদীতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইলিশ ধরার জন্য নৌকা ও চান্দি জাল নিয়ে প্রস্তুত চাঁদপুর সদর উপজেলার আনন্দ বাজার এলাকার মোস্তফা বেপারী। তিনি জানান, চাঁদপুর নৌ-সীমানায় ইলিশ না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে আমরা ভোলা জেলার দৌলত খাঁ এলাকায় বেশির ভাগ সময় ইলিশ ধরতে যাই। যারা নদীতে নেমেছে তাদের বিরুদ্ধে সোচ্ছার ছিলো প্রশাসন। অন্যান্য বছর আটককৃতরা অধিকাংশই ছিল অন্য জেলার। এ বছর আটককৃতদের বেশির ভাগই ছিলো চাঁদপুর জেলার। প্রবীণ জেলে ইমান হোসেন বেপারী বলেন, পদ্মা-মেঘনা নদীতে অনেক চর জেগেছে। নদীর নাভ্যতা সংকটের কারণে ইলিশের বিচরণ কমে যাচ্ছে। অন্যান্য প্রজাতির মাছ ধরা পড়লেও বড় ইলিশ ধরা পড়ছে না। তারপরও ২মাস বেকার থাকার পর জীবন জীবিকার তাগিদে আজ মধ্য রাত থেকে আবারও নদীতে নামতে হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম