ঢাকা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী একযোগে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ভারতে একের পর এক ঐতিহাসিক মসজিদ ভাঙার হিড়িক এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ফের শুরু হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার ও সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: ন্যায়বিচারে নতুন দিগন্ত বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে শুল্কছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র জেলা শহরে চালু হচ্ছে স্কুলবাস

দুই শিশুর পেট থেকে ৬ হাজার ৬১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,  1:50 PM

news image

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই শিশুর পেট থেকে ৬ হাজার ৬১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। জানা যায়, ওই দুই শিশুর পেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছিল। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে।


এর আগে গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আনোয়ারা উপজেলার সরকারহাট এলাকায় তল্লাশিচৌকি বসিয়ে অভিযান চালিয়ে এক নারী ও দুই শিশুকে আটক করে র‍্যাব। দুই শিশুর বয়স ৯ ও ১২ বছর। পরবর্তীতে সোমবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই শিশুর পেট থেকে ৬ হাজার ৬১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।


র‍্যাব-৭ ক্যাম্পের কমান্ডার লে. তাওহীদুল ইসলাম জানান, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের ব্যবহার করে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম রুটে মাদক পাচার করে আসছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নজরদারি করছিল র‍্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার আনোয়ারা উপজেলার সরকারহাট এলাকায় তল্লাশিচৌকি বসিয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি সিএনজি অটোরিকশা থেকে শারমিন আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তার বাড়ি চকরিয়া উপজেলায়। একই সময় তার সঙ্গে থাকা দুই শিশুকে আটক করা হয়।


র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই শিশুর পেটে করে ইয়াবা আনার বিষয়টি স্বীকার করেন আটক ওই নারী। পরে দুই শিশুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। এক্স-রে করার পর চিকিৎসকেরা তাদের পেটে ইয়াবা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর মলত্যাগের মাধ্যমে ইয়াবাগুলো বের করা হয়।


র‍্যাব আরও জানায়, দুই শিশুর বাড়ি বান্দরবানের আলীকদমে। পরিবারের খরচ দেয়ার পাশাপাশি ৮ হাজার টাকা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের মাদক পাচারে ব্যবহার করে চক্রটি। শিশুদের সঙ্গে শারমিন আক্তারকে রাখা হয়েছিল, যাতে দেখে কারও সন্দেহ না হয়।


চিকিৎসকদের বরাতে ক্যাম্প কমান্ডার তাওহীদুল ইসলাম জানান, পেটের ভেতরে ইয়াবা থাকায় দুই শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।  এদিকে, শিশুদের মাদক পাচারে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম