ঢাকা ১৬ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের পরিচিতি সভা লিটনের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরি, ধ্বংসস্তূপ থেকে টানছেন টাইগারদের বাগদাদে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু সারা হয়ে আসছেন মৌ ডিজিটাল সার্ভে কনসালটেন্ট-এর উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জাবি ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টাকারীর সন্ধান চেয়ে পুরস্কার ঘোষণা ফারাক্কা চুক্তিই বলে দেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকবে কি না: মির্জা ফখরুল অর্থনীতি ঋণাত্মক অবস্থায়, ঘুরে দাঁড়াতে লাগবে অন্তত ২ বছর: অর্থমন্ত্রী ফারাক্কা ব্যারাজের বিরূপ প্রভাব শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতেও পড়ছে: রিজভী

দিনে আসছে ৬ কোটি ২৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ জুলাই, ২০২৩,  6:30 PM

news image

২৮ দিনে পাঠিয়েছে ১৭৫ কোটি ডলার

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের ২৮ দিনে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৭৪ কোটি ৯২ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। দৈনিক হিসাবে গড়ে দেশে এসেছে ৬ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। রোববার (৩০ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জুলাইয়ের ২৮ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২১ কোটি ৮৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৪ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪৭ কোটি ৬ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৮ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়াতে আস্তে আস্তে ডলারের দর বাড়াচ্ছে ব্যাংকগুলো। বর্তমানে রেমিট্যান্সে ডলার প্রতি ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দেওয়া হচ্ছে।

গেল জুনে প্রবাসীরা ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার দেশে পাঠান। যা গত ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। আর একক মাস হিসেবে এই অংক এযাবৎকালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২০ সালের জুলাইয়ে দেশে সর্বোচ্চ ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছিল। সদ্য বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল। যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।

প্রকৃত রিজার্ভ ২৩.৩০ বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংস্থার (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী আন্তর্জাতিক নিয়মে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত রিজার্ভ ২ হাজার ৩৩০ কোটি (২৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন) ডলার।

সবশেষ  ২৬ জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের রিজার্ভ আছে ২ হাজার ৯৬৮ কোটি ডলার (২৯ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন) ডলার। তবে আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী- আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের প্রকৃত রিজার্ভে ৬৩৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার বাদ দেওয়া হয়েছে। সেই প্রকৃত রিজার্ভ নেমে দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে। প্রতি মাসে ৬ বিলিয়ন ডলার হিসাবে এ রিজার্ভ দিয়ে ৪ মাসের মত আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে বাংলাদেশ।

সারা বিশ্বে প্রচলিত ও বহুলব্যবহৃত আইএমএফের ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম ৬) অনুযায়ী, রিজার্ভ গণনায় বাংলাদেশ ব্যাংক গঠিত বিভিন্ন তহবিলের পাশাপাশি বিমানের জন্য প্রদত্ত ঋণ গ্যারান্টি, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে মুদ্রা বিনিময়, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষকে দেওয়া ঋণ, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকে আমানত এবং নির্দিষ্ট গ্রেডের নিচে থাকা সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত নয়। এসব খাতে বর্তমানে রিজার্ভ থেকে ৬৩৭ কোটি ডলার দেওয়া আছে, যা বাদ দিয়ে হিসাব করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম