ঢাকা ২৫ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার ১৫ শতাংশ গণমাধ্যমকর্মী: জরিপ পাঠ্যবইয়ে ফুটবল-ক্রিকেট-দাবাসহ ৭ খেলা যুক্ত করার নির্দেশ দেশের ১৮ তম অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল দেশে জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই: তথ্যমন্ত্রী ঈদ শেষে ফিরতি যাত্রায় নিরাপত্তায় জোর, অতিরিক্ত ভাড়া না নেওয়ার নির্দেশ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, শুরু ১৫ এপ্রিল কক্সবাজারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক খোরশেদ আলম খুন রূপগঞ্জে স্বামীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ জন লালমাইয়ে কুস্তি প্রতিযোগিতা চলাকালে মাঠে খেলোয়াড়ের মৃত্যু স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ত্রিপুরায় আরও ভারি বৃষ্টি-ঝড়ের শঙ্কা, আতঙ্কে বাংলাদেশ

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৪ আগস্ট, ২০২৪,  12:11 PM

news image

অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কারণে ভয়াবহ বন্যায় ঢুবে থাকা ভারতের ত্রিপুরায় আবারও ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ত্রিপুরার সব বিভাগে বজ্রসহ ঝড় হতে পারে। দেশটির জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ বলেছে, ত্রিপুরার দক্ষিণ, উত্তর, উনাকোতি এবং ধালাই বিভাগে (৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার) ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া সব বিভাগে বজ্রসহ ঝড় হতে পারে। এমন অবস্থায় ত্রিপুরায় পানি আরও বাড়তে পারে অর্থাৎ, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। যার প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশে। কারণ ত্রিপুরার অংশে থাকা গোমতী নদীর উপর তৈরি ডম্বুর বাঁধ খুলে দেয়ার পরই স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা দেখেছে বাংলাদেশের মানুষ। এতে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ। এখনও পানির নিচে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, হবিগঞ্জ, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলা। আইএমডি তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের উত্তরাংশে একটি নিম্নচাপ তৈরির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আজ শনিবার থেকে সেটি গঠিত হওয়া শুরু করবে। বঙ্গপোসাগরের নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। ফলে এই নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আরও কয়েকদিন ভারি বর্ষণ হতে পারে ত্রিপুরায়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভয়াবহ এ বন্যায় ত্রিপুরায় ২২ জন নিহত হয়েছেন। রাজ্যের আটটি জেলার ৬ হাজার ৬০০ পরিবারের ৩৪ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। বন্যায় এক হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম