ঢাকা ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ ‘কৃষক কার্ড’ দেবে সরকার দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তা বই ছাপায় অগ্রগতি, নভেম্বরেই শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য তেঁতুলিয়ায় বাড়ছে শীতের অনুভূতি জাপানে টয়োটার কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ১৬৩৩ টাকা আজ যে এলাকায় বন্ধ থাকবে ব্যাংক বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা: সাবেক ওসি বিপ্লব ও এসআই ইসমাইল কারাগারে স্মার্টফোন বারবার রিস্টার্ট করলে কি গতি বাড়ে নাকি সমস্যা বাড়ে "দূর থেকে বসে আমাকে জাজ করবেন না", ভক্তদের আনুশেহ

তেঁতুলিয়ায় বাড়ছে শীতের অনুভূতি

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৯ অক্টোবর, ২০২৬,  11:08 AM

news image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় বাড়ছে শীতের অনুভূতি। কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত হিমেল বাতাসে বাড়ছে ঠান্ডা। এরই মধ্যে শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বয়স্করা।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন বুধবার সকালে তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


সকালে হালকা কুয়াশার মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়লেও ভোরে কাজে বের হওয়া দিনমজুর, চা ও পাথরশ্রমিক, ভ্যানচালক এবং কৃষকদের ঠান্ডার মুখে পড়তে হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সন্ধ্যার পর উত্তর দিক থেকে আসা হিমেল বাতাসে শীতের অনুভূতি বাড়ে। রাত থেকে ভোর পর্যন্ত গায়ে চাদর বা কাঁথা জড়াতে হচ্ছে।


শীতের আমেজে স্থানীয় বাজারে বাড়ছে মৌসুমি পিঠার আয়োজন। সন্ধ্যার পর ভাপা ও চিতই পিঠার দোকানে ভিড় করছেন ক্রেতারা। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্যে সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন শীতজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। এসব সমস্যা নিয়ে শিশু ও বয়স্কদের উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, হিমালয় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতের কাছাকাছি অবস্থান, হিমেল বাতাস এবং হালকা কুয়াশার প্রভাবে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। এতে ধীরে ধীরে বাড়ছে শীতের অনুভূতি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম