ঢাকা ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে পিস্তল-গুলি উদ্ধার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ভোটের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের ঢল, ভাড়া বেশী নেয়ায় সড়ক অবরোধ সন্দ্বীপে বিএনপি প্রার্থীর ১৪ দফা নির্বাচনী অঙ্গীকার ঘোষণা পদত্যাগ করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে: মির্জা ফখরুল নির্বাচন উপলক্ষে টাকা বিতরণ করলে কঠোর শাস্তি পরাজয়ের মুখে টাকা দিয়ে ভোট কিনছে একটি দল : বিএনপি সম্মিলিত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৫ লাখের বেশি প্রবাসী

তাহের হত্যা: রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইলেন দুই আসামি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ মে, ২০২৩,  2:02 PM

news image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যার দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রান ভিক্ষা চেয়েছেন  দণ্ডপ্রাপ্ত একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর। সোমবার (১৫ মে) রাজশাহী জেলার কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   এর আগে রোববার (১৪ মে) সংবিধান ও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ না করে স্বীকারোক্তি নেওয়ার বিষয় চ্যালেঞ্জ করে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুই আসামি মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর হোসেনের করা রিট খারিজ করে দেন আদালত। বিচারপতি জাফর আহমেদের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ রিট খারিজ করে আরও বলেন, এ ধরনের আবেদন আদালত অবমাননার সমান। এর ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি শিক্ষক মহিউদ্দিন ও কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীরের ফাঁসি কার্যকরে আইনি আর কোনো বাঁধা নেই।

তবে দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ পাবেন তারা। ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক তাহেরের মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয় কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি নিহতের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছিল পুলিশ। মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২২ মে চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুজনকে খালাস দেন রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নিহত অধ্যাপক ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীর আলমের ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের স্ত্রীর বড় ভাই আব্দুস সালাম। তবে বিচারিক আদালতের রায়ের পর আসামিরা আপিল করেন। পরে শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল মামলার দুই আসামি মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলমের ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল রেখে অপর দুই আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। এরপর আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করেন। পাশাপাশি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামির দণ্ড বৃদ্ধি চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। পরবর্তীতে শুনানি শেষে গত বছরের ৫ এপ্রিল আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখেন। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। এরপর আসামিরা রিভিউ আবেদন করেন। সবশেষ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রিভিউর ওপর শুনানি শুরু হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম