নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ জুন, ২০২৩, 2:21 PM
টানা বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ
একদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। শেষ মুহূর্তে গ্রামে যাচ্ছেন কর্মজীবী মানুষেরা। সকাল থেকেই টানা বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষেরা। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই যাওয়ার চেষ্টা করছেন নির্দিষ্ট গন্তব্যে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় মঙ্গলবার বিকেল থেকেই যানজটের সৃষ্টি হয়। এ কারণে রাতভর থেমে থেমে চলেছে যানবাহন। সকাল হতে এই মহাসড়কে যানজট না হলেও ঘরমুখো মানুষের চাপ রয়েছে আগের মতোই। বুধবার (২৮ জুন) সকালে উত্তরবঙ্গের প্রবেশ পথ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় সরেজমিনে ঘিরে দেখা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় বিপাকে রয়েছে হাজারও যাত্রীরা। তারা বৃষ্টি উপেক্ষা করেই পথে বের হচ্ছে; কেউ ছাতা নিয়ে, কেউ মাথায় পলিথিন পেঁচিয়ে, কেউ-বা আবার বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে রওনা হয়েছেন। চন্দ্রা ত্রিমোড়ে যানজট না থাকলেও পরিবহন ও যাত্রীদের চাপে জটলা বেঁধেছে। বৃষ্টির মধ্যে হাজার হাজার যাত্রী অপেক্ষা করছেন গাড়ির জন্য। বৃষ্টিতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পড়তে শিশুরা। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে তারা ভিজে ভিজে যাচ্ছেন গ্রামে। মায়ের কোলের শিশুকে নিয়েও এই বৃষ্টির মধ্যে বের হয়। উপরে ত্রিপল টাঙিয়ে রওনা হয়েছেন অনেকেই। রাজশাহীর তানোড় যাচ্ছেন জুলেখা আক্তার। তিনি জানান, গতকাল (মঙ্গলবার) কারখানা ছুটি হয়েছে। যানজটের কারণে বের হইনি। সকালে বের হয়ে বৃষ্টিতে পড়তে হয়েছে। বৃষ্টি না থামায় বাচ্চাদের নিয়ে বের হয়েছি। কারণ, যে বাসায় থাকি, সেটি ফাঁকা হয়ে গেছে। এজন্য একা থাকাটা কষ্টকর, তাই বৃষ্টির মধ্যেই বের হলাম। নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, এই বৃষ্টির মধ্যেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে ঘরমুখো মানুষের জন্য কষ্টকর হয়ে উঠেছে ঈদ যাত্রা।