ঢাকা ২৫ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাতক্ষীরায় রাফাতের মৃত্যুর ঘটনার দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন সাভারে ভার্কের উদ্যোগে চাকরি মেলা ও শিক্ষানবিশ সমাবেশে চাকুরী প্রার্থীদের ভীড় রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষর জুনের ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২২৪ কোটি ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু জামায়াতপন্থি ডিএজি-এএজিদের পদত্যাগ রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’ বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে ব্রাজিলের সামনে যে সমীকরণ হত্যাচেষ্টা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ গ্রেপ্তার

টাকার বিনিময়ে নতুন পরিচয় পাচ্ছেন রোহিঙ্গাসহ দাগি আসামিরা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  3:47 PM

news image

২০১৯ সাল থেকে রোহিঙ্গা ছাড়াও দেশের দাগি আসামিদের টাকার বিনিময়ে ভিন্ন নাম-ঠিকানায় জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি ছাড়াও পাসপোর্ট দিয়ে আসছিল একটি চক্র। এরমধ্যে অনেককেই চক্রটি বিদেশে পাঠিয়ে দিতো, আবার কেউ কেউ দেশে থেকেই অপরাধমূলক কাজ করতেন। তবে শেষরক্ষা হয়নি, সম্প্রতি পৃথক অভিযান চালিয়ে এই চক্রের ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।ডিবি প্রধান জানান, অপরাধমূলক এই কাজে চক্রটি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, রংপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও বরিশাল জেলার ঠিকানা ব্যবহার করে আসছিল। এসব এলাকায় জন্ম নিবন্ধন ও এনআইডি দিয়ে পাসপোর্টগুলো করা হতো। এ ক্ষেত্রে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যাদের কারও ভবিষ্যতে বিদেশ যাওয়ার সম্ভাবনা নেই,

তাদের তথ্য ব্যবহার করে জাল পাসপোর্ট তৈরি করা হতো। হারুন অর রশীদ জানান, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট ছাড়াও কম্পিউটারসহ তিন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ এবং ১০ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনে ও রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজন আনসার সদস্য, রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিসহ ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই সঙ্গে তাদের হেফাজত থেকে ১৭টি পাসপোর্ট, ১৩টি এনআইডি, পাঁচটি কম্পিউটার, তিনটি প্রিন্টার, ৪০টি মোবাইলসহ পাসপোর্ট তৈরির শতশত দলিলপত্র জব্দ করা হয়েছে। এই ২৩ জনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রেপ্তারদের রিমান্ডে এনে আমরা জানতে পেরেছি- পুরো জালিয়াতি চক্রে মূলত তিনটি চক্র কাজ করে। এরমধ্যে একটি চক্র রোহিঙ্গাদের জোগাড় করতো। এই চক্রটি কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি থেকে রোহিঙ্গাদের ঢাকায় আনতো। এরপর আরেকটি চক্র ঢাকায় নিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গাদের নামে জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি নম্বর করার কাজ করতো। এছাড়া আরেকটি পক্ষ তাদের পাসপোর্ট বানানোর কাজ করতো। ডিবি প্রধান জানান, রেজিস্ট্রেশন করার জন্য প্রথম চক্রটি ৫-১২ হাজার টাকা নিতো। আরেকটি পক্ষ তিন দিনের মধ্যে এনআইডি করে দেয়ার জন্য ২৫ হাজার টাকা নিতো। এছাড়া আরেকটি গ্রুপ আনসারের সহায়তায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট করে দিতো।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম