ঢাকা ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে পিস্তল-গুলি উদ্ধার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ভোটের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের ঢল, ভাড়া বেশী নেয়ায় সড়ক অবরোধ সন্দ্বীপে বিএনপি প্রার্থীর ১৪ দফা নির্বাচনী অঙ্গীকার ঘোষণা পদত্যাগ করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে: মির্জা ফখরুল নির্বাচন উপলক্ষে টাকা বিতরণ করলে কঠোর শাস্তি পরাজয়ের মুখে টাকা দিয়ে ভোট কিনছে একটি দল : বিএনপি সম্মিলিত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৫ লাখের বেশি প্রবাসী

ঝিনাইদহে আলমসাধু চালককে হত্যায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৯ আগস্ট, ২০২৩,  4:57 PM

news image

ঝিনাইদহে আলম সাধুচালক আজাদ হত্যা মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঝিনাইদহের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. নাজিমুদ্দৌলা আজ বুধবার (৯ আগস্ট) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিতরা হলেন ঝিনাইদহের মহিষাডাঙ্গা গ্রামের টোকন, দোগাছী গ্রামের তাহিদ হোসেন এবং বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মো. শুকুর আলী। তবে শুকুর আলী পলাতক রয়েছেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছাড়াও দণ্ডিতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও একবছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে আদালত উল্লেখ করেন, নিহত আজাদ হোসেন ২০১৩ সালে ২৮ জুন প্রতিদিনের মতো ইঞ্জিনচালিত আলমসাধু নিয়ে বের হয়। এরপর আজ খোঁজ মেলেনি তার। ২০১৩ সালের ৫ জুলাই ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের পোড়াহাটি এলাকা থেকে আজাদ হোসেনের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত আজাদের বাবা মো. মকর আলী মণ্ডল। পরবর্তী সময়ে মোবাইলফোন ট্র্যাকিং করে যশোর শহরের মণিহার সিনেমা হলের সামনে থেকে আজাদের আলমসাধুসহ দণ্ডিত আসামি শুকুর আলীকে আটক করা হয়। সে (শুকুর আলী) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। ওই জবানবন্দির সূত্র ধরে হত্যার বিশদ বর্ণনা এবং ঘটনার সাথে জড়িত আরও দুজনের নাম প্রকাশ হয়ে পড়ে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঝিনাইদহ সদর থানার এসআই মো. এমদাদুল হক ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি আসামিদের (দণ্ডিত) বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় ১৮ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইসমাইল হোসেন বাদশা। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল খালেক সাগর ও স্টেট ডিফেন্স কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মো. রবিউল ইসলাম।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম