ঢাকা ১৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে ষড়যন্ত্র: সার্বভৌমত্বের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ ছেলে-মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন বাবা পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ বরগুনার তরুণ মোঃ সোহানুর রহমান সৈকত ফাইনালিস্ট হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ মৃত্যু সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে ভারত থেকে দেশে আসছে ১৯টি নতুন রেলবগি হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র: বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে ফের বোমাসদৃশ প্রেসারকুকার উদ্ধার, ঘটনাস্থলে ডিসপোজাল ইউনিট আ. লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা কানাডার

জুলাইয়ের শহীদ পরিবার ও আহতদের দেখভালের প্রতিশ্রুতি দিলেন তারেক রহমান

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ জানুয়ারি, ২০২৬,  1:58 PM

news image

ক্ষমতায় গেলে জুলাই-আগস্টের যোদ্ধাদের দেখভালের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আরেকটি বিভাগ খোলার কথা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই কথা জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি এর আগে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কল্যাণে এই মন্ত্রণালয় দেখভাল করে থাকে। আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই আন্দোলনে যোদ্ধা পরিবারের কিছুটা কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করা হবে। কারণ তারাও এক ধরনের মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আরেকটি বিভাগ খোলা হবে, যাতে এইসব মানুষদের দেখভাল করা যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। এর মধ্যে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন, যাদের এক চোখ হারিয়েছে অথবা কারও দুই চোখই নষ্ট হয়েছে এবং পঙ্গু হয়েছেন অনেকে। জুলাইয়ে যেভাবে দেড় হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, সেটিকে আমরা গণহত্যা বলতে পারি।’ জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ এবং আহত হয়েছেন, তাদের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদী শক্তি শুধু ক্ষমতা থেকেই নয়, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘সেসময় স্বাধীনতাকামী সব মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। ২০২৪ এর আন্দোলন কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের নয়। অধিকার হারা মানুষের গণ-আন্দোলন। যারা স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনকে দলীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে পরিণত করতে চায়, তাদের বিষয়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকামী প্রিয় মানুষকে সজাগ থাকা জরুরি।’ গণ-আন্দোলনে আহতদের দুইভাবে ক্ষতিপূরণ দেয়ার চেষ্টা করতে পারেন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এক- রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা। দুই- মানুষের রাজনৈতিক এবং যোগ্যতা অনুযায়ী তার অর্থনীতি নিশ্চিত করা। হতাহতদের প্রতি রাষ্ট্রের অবশ্যই দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে পর্যায়ক্রমে তা পূরণ করবে বিএনপি।’ নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান। নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ব্যর্থ হলে এভাবেই শোক সমাবেশ আর শোকগাঁথা চলতে থাকবে। আর শোকসামেবশ বা শেকগাঁথা নয়, গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামী বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয়গাঁথা রচনা করবে।’

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম