ঢাকা ২৪ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু মেডিকেল কলেজে ৫০ ও জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতিহাস গড়ে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ষষ্ঠ স্থানে বাংলাদেশ দেশের বিমান খাত নিয়ে সরকারের বিশাল পরিকল্পনা তুলে ধরলেন বিমানমন্ত্রী রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা, কারণ জানাল পুলিশ রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু জানালা দিয়ে পানি চাইছিল দুই শিশু, তালা ভেঙে মিলল মায়ের মরদেহ ফেসবুকে শিক্ষকদের সরকারবিরোধী পোস্ট মনিটরিংয়ে নতুন নিয়ম গ্যাসের অভাবে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

চীনের বিরুদ্ধে অরুণাচলে ভূখণ্ড দখলের অভিযোগ ভারতের

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৯ আগস্ট, ২০২৬,  11:17 AM

news image

ভারতের অরুণাচল প্রদেশে চীনের বিরুদ্ধে নতুন করে ভারতীয় ভূখণ্ড দখল এবং টহল পয়েন্টে বাধাদানের অভিযোগ উঠেছে। নরেন্দ্র মোদি সরকারের মিত্র আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ‘পিপলস পার্টি অব অরুণাচল’-এর চার সদস্যের একটি অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এটা নিয়ে নয়াদিল্লিতে তীব্র রাজনৈতিক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।


অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আপার সুবানসিরি জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ভারতীয় বাহিনী টহল দিতে পারে না। তবে এই সময়ে চীনা বাহিনী সেখানে সক্রিয় থাকে। দলের সহসভাপতি কালিং জেরাং জানান, স্থানীয়দের মতে ২০২৩ সালে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) সঙ্গে সংঘর্ষের পর ভারতীয় বাহিনী ‘শেরা-৫’ নামের একটি টহল পয়েন্ট ছেড়ে দেয়। এ নিয়ে স্থানীয় উপজাতীয় সংগঠন ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ও সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।


এ বিষয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোকে ‘ভুল এবং ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করলেও, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, সীমান্ত পরিস্থিতি আমাদের বৃহত্তর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন নতুন উত্তেজনার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে চীন-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি মোটামুটি স্থিতিশীল।


ভারত ও চীনের মধ্যে ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যার বড় অংশই বিতর্কিত। তথাকথিত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) নিয়েও দুই দেশের মতানৈক্য রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য সফরের আগে এই অভিযোগ ভারত-চীন সম্পর্কে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমান্ত বিরোধের মাঝেও অবশ্য দুই দেশের বাণিজ্য গত এক দশকে দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ১৫১.১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সীমান্ত বিরোধের স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশের সম্পর্ক ‘নিয়ন্ত্রিত প্রতিযোগিতা’ হিসেবেই থেকে যাবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম