ঢাকা ০২ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশ দূতাবাস ফ্রান্সের আয়োজনে প্যারিসে ৫৫তম মহান স্বাধীনতা-জাতীয় দিবস উদযাপন বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী সৌদি আরব আমির হামজার বিরুদ্ধে সমন জারি ‘যৌন নিপীড়ন’র অভিযোগ: জামিন পেলেন গায়ক জাহিদ অন্তু এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম অবৈধভাবে মজুত করা ৩ লাখ ৭২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার এ বছর বর্ষায় রাজধানীর জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক ১১ দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা জুনের মধ্যে ‘বাংলা কিউআর’ চালু না করলে জরিমানা করা হবে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

চা শিল্পের উন্নয়নে শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৪ জুন, ২০২৩,  10:43 AM

news image

চাশিল্পের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাই শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে চা বাগান মালিক ও বিপণনকারীসহ সবাই শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করবে এবং আন্তরিকভাবে কাজ করে এ শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’  আজ রোববার (৪ জুন) ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে গতকাল শনিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ প্রত্যাশা প্রকাশ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে উত্তরবঙ্গে চা শিল্পের প্রসারের জন্য উদ্যোগ নেয়।

তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বৃহৎ বাগানের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার প্রায় ১২ হাজার একর জমিতে ক্ষুদ্র পরিসরে চা চাষ হচ্ছে। প্রতি বছর এ অঞ্চলের বাগানগুলো চা উৎপাদনের অতীত রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। শুধু দেশের উত্তরাঞ্চলে ২০২২ সালে রেকর্ড পরিমাণ ১৭ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের ৪ জুন প্রথম বাঙালি হিসেবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করে বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় দেশের চা শিল্পে অসামান্য অবদান রাখেন। তাঁর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় ১৯৫৭ সালে শ্রীমঙ্গলে চা গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ঢাকার মতিঝিলে চা বোর্ডের কার্যালয় স্থাপিত হয়। জাতির পিতা চা শ্রমিকদের শ্রমকল্যাণ যেমন–বিনামূল্যে বাসস্থান, সুপেয় পানি, প্রাথমিক শিক্ষা ও রেশন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বাগান মালিকদের নির্দেশনা দেন। তিনি চা শ্রমিকদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেন ও ভোটাধিকার প্রদান করেন। চা শিল্পে জাতির পিতার অবদান এবং চা বোর্ডে যোগদানের তারিখকে স্মরণীয় করতে ৪ জুনকে ‘জাতীয় চা দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় চা পুরস্কার নীতিমালা-২০২২ এর আলোকে এ বছর জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ প্রদানের উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। এটি চা বাগান মালিক, চা শ্রমিক, চা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অণুপ্রেরণা জোগাবে বলে আমার বিশ্বাস।” প্রধানমন্ত্রী জাতীয় চা দিবসের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম