ঢাকা ২৮ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভারতের মেডিকেলে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক এমপি প্রাণ গোপাল হয়রানি নয়, ন্যায্যতার ভিত্তিতেই কর আদায় সরকারের উদ্দেশ্য: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: প্রধানমন্ত্রী ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান চরম গরমের কবলে ইউরোপ, স্পেনে মৃত্যু ৩২৭ বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালন করলেন অভিনেত্রী ভাবনা বাড়ল ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ

চাঁদপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৬১ হাজার পশু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১২ জুন, ২০২৪,  10:51 AM

news image

চাঁদপুরে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশীয় পদ্ধতিতে চলছে কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়া। খামারিরা বলছেন, দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণে খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকে লোকসানের আশংকায় রয়েছেন। তবে কোনো প্রকার রাসায়নিক খাদ্য ব্যবহার ছাড়াই দেশীয় খাদ্যের দ্বারা কোরবানি পশু মোটাতাজাকরণ তদারকির কথা জানান জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চাঁদপুরে এবার কোরবানির জন্য ছোট, বড় ও মাঝারি মিলিয়ে ৩,২৬৯ টি খামারে মোট ৬১,৪৮৯ টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৭৮,৫৬৬ টি। ফলে পশু ঘাটতি রয়েছে ১৭,০৭৭ টি। খামার শ্রমিক আবুল হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশীয় পদ্ধতিতে কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণ করছেন ছোট, মাঝারি ও বড় খামারিরা। বর্তমানে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও বিদেশ থেকে পশু আমদানির ফলে অনেকে লোকসান আতঙ্কে রয়েছেন। তবে পূর্বের লোকসান কাটিয়ে আনতে দিনরাত পরিশ্রম করছেন খামার কর্মচারীরা। খামার মালিক খাজা আনোয়ার ও নাছির উদ্দিন জানান,  গো খাদ্যের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি ও বিদেশ থেকে গরু আমদানি করা হলে এবারও লোকসানে পরতে হবে। দেশি খামারিদের স্বার্থ রক্ষায়, বিদেশি পশু আমদানি বন্ধের পাশাপাশি গো খাদ্যের দাম কমানোর দাবি জানান তারা।  চাঁদপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. জ্যোতির্ময় ভৌমিক বলেন, চাঁদপুর জনবহুল এলাকা হলেও, খামারীর সংখ্যার তুলনায় ভোক্তার সংখ্যা বেশী। আমরা প্রতি কোরবানির ঈদের দুই মাস পূর্বে উপজেলা ভিত্তিক স্থায়ী খামারী জরিপ করে প্রায় সাড়ে ৬১ হাজার পশু পেয়েছি। জেলায় চাহিদা রয়েছে প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার। এখান প্রায় ১৭ হাজার ঘাটতি, আশা করছি এই ঘাটতি থাকবে না। আমাদের জানা মতে প্রায় ৫শ’ জন মৌসুমী বেপারী রয়েছে। তারা উত্তরবঙ্গসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কম দামে পশু কিনে এনে এখানে ব্যবসা করবে। তারা ইতোমধ্যে পশু আনা শুরু করেছে। প্রতিটি উপজেলায় ৪০/৪৫ জন খামারী, জবাইকারি ও ইমামদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃ্খংলা বাহিনীর লোকজনও থাকেন। মানুষ এখন অনেক সচেতন। কেউ এখন মোটাতাজা পশু দেখে না, দেখে রিষ্টপুষ্ট পশু। কোন প্রকার ক্ষতিকারক পদার্থ ব্যবহার ছাড়াই যাতে খামারীরা রিষ্টপুষ্ট কোরবানির পশু উৎপাদন করতে পারে সেই বিষয়েও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম