ঢাকা ২৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
গ্যাসের অভাবে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি ‘পিংক বাস’ সার্ভিসে এবার এলো ই-টিকিটিং সেবা মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে বিমান হামলায় নিহত ১৪ রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩ ইনিংস ব্যবধানে ২ দিনেই ম্যাকাই টেস্ট হারল বাংলাদেশ নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান কুয়েতে ভিসা নিয়ে নতুন নিয়ম, আর মিলবে না বিশেষ সুবিধা সচিবালয়ে প্রথমবার অফিস করছেন তথ্যমন্ত্রী আন্দালিব পার্থ, ফুল দিয়ে বরণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন

গ্যাসের অভাবে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ আগস্ট, ২০২৬,  12:58 PM

news image

মেঘনাপাড়ে চার দশকেরও বেশি সময় আগে প্রতিষ্ঠিত আশুগঞ্জ সার কারখানায় বাণিজ্যিকভাবে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। প্রথম দিকে দিনে প্রায় ১৬শ টন সার উৎপাদন হলেও ধীরে ধীরে হ্রাস পায় এর উৎপাদনক্ষমতা। বর্তমানে সাড়ে ১১শ টন পর্যন্ত ইউরিয়া উৎপাদন করছে কারখানাটি।


তবে গ্যাস-সংকটে গত বছরের পহেলা মার্চ সার উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করে কারখানা কর্তৃপক্ষ। ফলে বিদেশ থেকে আমদানি করা সার দিয়ে মেটানো হচ্ছে ডিলার ও কৃষকের চাহিদা। গত কয়েক বছর ধরেই সংকটের কারণ দেখিয়ে বছরের অর্ধেক সময় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। এতে দীর্ঘ সময় ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকায় নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান যন্ত্রাংশ।


কারখানার কয়েকজন শ্রমিক-কর্মচারী অভিযোগ জানিয়ে বলেন, গত দেড় বছর যাবৎ এই কারখানায় গ্যাস সংযোগ বন্ধ আছে। যার কারণে এই কারখানায় গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কারণ, এটা একটা কেমিক্যাল প্ল্যান্ট। এই প্ল্যান্টগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে এটা ভেতর থেকে ড্যামেজ হয়ে যায়। ফ্যামিলিতে বউ-বাচ্চা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতেছি আমরা এবং হতাশায় ভুগতেছি। বর্তমান সরকারের কাছে আকুল আবেদন, এই ফ্যাক্টরি আবার পুনরায় চালু করার জন্য।


কারখানার পুনরায় খোলার আহ্বান জানিয়ে শ্রমিক-কর্মচারী বলেন, গত দেড় বছর যাবৎ এই কারখানায় গ্যাস সংযোগ বন্ধ আছে। যার কারণে এই কারখানায় গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কারণ, এটি একটি কেমিক্যাল প্ল্যান্ট। এই প্ল্যান্টগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে ভেতর থেকে ড্যামেজ হয়ে যায়। ফ্যামিলিতে বউ-বাচ্চা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতেছি আমরা এবং হতাশায় ভুগতেছি। বর্তমান সরকারের কাছে আকুল আবেদন, এই ফ্যাক্টরি আবার পুনরায় চালু করার জন্য।


কবে নাগাদ গ্যাস মিলবে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে। এ বিষয়ে আশুগঞ্জ সার কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা প্রোডাকশন করতে চাই। আমরা যদি গ্যাস ২৯ টাকা দেয়ার পরও প্রোডাকশনে থাকি, রাউন্ড দ্য ক্লক আমাদের লাভ হবে। আমাদের আর লুজিং কনসার্ন হবে না। দেশেরও লাভ হবে, আমাদেরও লাভ হবে। সব কারখানা বেঁচে থাকবে।’ আশুগঞ্জ সার কারখানায় পুরোদমে উৎপাদন চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়।

সূত্র : ছবি : স্টার নিউজ

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম