ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে জনগনের চাহিদায় ফুতপাত দখলমুক্ত করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন আশুলিয়ায় মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবন থেকে ২ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সাপাহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে স্টান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার'র সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে এইচএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

গায়ক কেকের মৃত্যুর কয়েক মিনিট আগের ফুটেজ প্রকাশ

#

বিনোদন ডেস্ক

০২ জুন, ২০২২,  10:12 AM

news image

কলেজের অনুষ্ঠানে গান গেয়ে হোটেলে ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন গায়ক কৃষ্ণকুমার কুনাথ (কেকে)। হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতেই সব শেষ। তরতাজা কেকের এভাবে, অসময়ে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না তার গানের ভক্তরা। এখনো তাদের কানে একটানা বেজে চলেছে, ‘হাম রাহে ইয়া না রাহে কাল…’

কেকের মৃত্যুর প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর প্রকাশ্যে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ। তাতে দেখা যাচ্ছে, হোটেলের লবিতে হেঁটে যাচ্ছেন কেকে। মনে করা হচ্ছে, লিফ্‌ট থেকে নেমে ওই লবি দিয়ে হেঁটেই ঘরে পৌঁছান শিল্পী। সূত্রের খবর, লিফ্‌টে ওঠার পর দৃশ্যত অসুস্থ লাগছিল তাকে। নিউমার্কেট এলাকার ওই বিলাসবহুল হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে অবশ্য কেকে-কে দেখে অসুস্থ মনে হয়নি। বরং স্বাভাবিক ছন্দে হাঁটতে হাঁটতেই চলে যেতে দেখা যায় তাকে। পাশে ছিলেন ম্যানেজার হিতেশ ভাট। কেকের পরনে ছিল অনুষ্ঠানেরই পোশাক, গলায় একটি সাদা তোয়ালে ছিল।

যে তোয়ালে দিয়ে অনুষ্ঠানে বারবার ঘাম মুছতে দেখা যায় তাকে। হিতেশের সঙ্গে গল্প করতে করতেই লবি দিয়ে সোজা হেঁটে ঘরের দিকে চলে যান তিনি। হিতেশ জানিয়েছেন, নিজের ঘরে ঢুকেই একটি সোফায় বসতে গিয়ে পড়ে যান কেকে। তখন টেবিলের কোনায় মাথা ঠুকে কেটে যায়। হিতেশ চিৎকার করে হোটেলের কর্মীদের ডাকাডাকি শুরু করেন। ততক্ষণে অচেতন হয়ে পড়েন কেকে। হোটেলকর্মীরা চিকিৎসককে ফোন করেন। চিকিৎসক বিপদ বুঝে কেকে-কে একবালপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। অত কম সময়ের মধ্যে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা না হওয়ায় হোটেলের গাড়িতে তুলেই একবালপুর রওনা হতে হয়। কিন্তু যাত্রাপথেই সব শেষ। -সূত্র : আনন্দবাজার প্রত্রিকা

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম