ঢাকা ১০ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বকেয়া পৌরকর আদায়ে ১৫% সারচার্জ মওকুফের সুযোগ দিলো ডিএসসিসি ডেঙ্গু চিকিৎসায় সব ধরনের সহায়তা করবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আদালতে খালাস পেলেন নাসির-তামিমা দম্পতি বর্তমান সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে: শামা ওবায়েদ সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহ-জামালপুর রেল যোগাযোগ বন্ধ নদীভাঙনে ছোট হয়ে আসছে বরিশাল দেশে স্বর্ণের দামে ফের পতন, ভরিতে কমলো কত আলভারেজকে নিয়ে রিয়াল-বার্সার লড়াই, ১৫০ মিলিয়নের মেগা অফার প্রত্যাখ্যান অ্যাতলেটিকোর জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে স্মরণ: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সম্মান ও স্বীকৃতির গল্প

কৃষক কার্ডে বছরে ২ হাজার টাকা প্রণোদনা পাবেন প্রান্তিক চাষিরা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ এপ্রিল, ২০২৬,  12:57 PM

news image

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। কৃষকদের আর্থিক সহায়তা ও কৃষি ব্যবস্থাপনায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে পাইলট ভিত্তিতে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করেছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় শুরু হওয়া এ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে দেশের আট বিভাগে ২১ হাজার ১৪ জন কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হবে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রকল্পটি সফল হলে আগামী অর্থবছর থেকে এর পরিধি বাড়ানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশের কৃষকদের এ সুবিধার আওতায় আনা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকেরা বছরে ২ হাজার টাকা করে প্রণোদনা পাবেন। এছাড়া কৃষিঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রেও কৃষক কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ খাতে উন্নয়ন বাজেট থেকে ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সরকারি এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য মোট ১০ ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এর মধ্যে নগদ সহায়তা, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ অন্যতম। তবে এটি একটি পাইলট প্রকল্প হওয়ায় ধাপে ধাপে এর বিস্তার ঘটানো হবে বলে জানান তিনি। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার একদিকে কৃষি খাতে সহায়তা জোরদার করছে, অন্যদিকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করছে। ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, হ্যাজার্ড ম্যাপিং এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং তদারকি ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে। এসব পদক্ষেপকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম