ঢাকা ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঈদুল ফিতরে মিলতে পারে টানা ১০ দিনের ছুটি মব কালচারের জমানা শেষ, সড়ক অবরোধ করলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুতই কৃষক কার্ড চালু করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষক কার্ড বিতরণ করবে সরকার সেরা টি-টোয়েন্টি বোলিং পারফরম্যান্স মনোনয়নে শেখ মেহেদী লাভ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর ঘোষণা কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ প্রথমবারের মতো সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

কারামুক্ত হলেন সেই সুইডেন আসলাম

#

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪,  11:30 AM

news image

গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ মোহাম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলামকে। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় তাকে কারাগার থেকে মুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন। সুইডেন আসলাম ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার ছাতিয়ার এলাকার শেখ জিন্নাত আলীর ছেলে। বিভিন্ন সময়ে তার নামে ২২টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে ৯টি হত্যা মামলা বলে জানা গেছে কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, সুইডেন আসলাম ২০১৪ সাল থেকে কাশিমপুর কারাগারে বন্দী ছিলেন। তার হাজতি নম্বর ছিল- ৬৬৩/২০। তিনি ২০০৫ সালের ৩১ জানুয়ারি গ্রেপ্তার হন। এরপর বিভিন্ন কারাগারে ছিলেন। মঙ্গলবার তার জামিনের কাগজ কাশিমপুর কারাগারে এসে পৌঁছায়। পরে রাত ৯টার দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার লুৎফর রহমান বলেন, ২০১৪ সাল থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দী ছিলেন। জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এলে তা যাচাই-বাছাই শেষে রাতেই তাকে মুক্তি দেয়া হয়। শেখ আসলাম চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর একজন। ১৯৮৬ সালে ফার্মগেটের পূর্ব রাজাবাজার এলাকায় স্কুলের সামনে মায়ের হাত ধরে থাকা এক কিশোরকে গুলি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এরপর থেকে আলোচিত এই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে একের পর এক হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠতে থাকে। একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে পাড়ি জমান ইউরোপে। ওই সময় সুইডেনে কিছুদিন অবস্থানের পর সেখান থেকে ফিরে আসলে তার নামের সঙ্গে ‘সুইডেন’ শব্দটি যুক্ত হয়ে যায়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম