ঢাকা ১২ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে সরকার : স্বাস্থ্য সচিব চাঁদাবাজদের তালিকা করছে র‍্যাব আগামী বাজেটে কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন সেই সিঁথি পহেলা বৈশাখে ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস তেল আছে শুধু সংসদে: জামায়াত আমির হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায় রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাট প্রতিমন্ত্রী মার্চে সড়কে ঝরল ৫৩২ প্রাণ নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য বাংলাদেশের দল ঘোষণা

কান্না না থামায় নাক-মুখ চেপে ধরে যমজ শিশু হত্যা, স্বীকার করলেন মা

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২,  12:12 PM

news image

ছবি : সংগৃহীত 

খুলনার তেরখাদায় পুকুরে ভাসমান অবস্থায় মাত্র দুই মাস বয়সী যমজ শিশু মনি ও মুক্তা হত্যার ঘটনায় মা কনা খাতুনকে গ্রেফতার করেছে তেরখাদা থানা পুলিশ। দুই শিশুর বাবা মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তেরখাদা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নিহতদের বাবা মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে তেরখাদা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। পরে রাতেই ওই যমজ শিশুর মাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে যমজ শিশু মনি ও মুক্তা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন মা কনা খাতুন। তবে কি কারণে ঘটেছে এ হত্যাকাণ্ড সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

এর আগে শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলার ছাগলাদহ ইউনিয়নের কুশলা গ্রামের পুকুর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কনার যমজ সন্তান ঘুম থেকে জেগে যায় এবং কান্নাকাটি শুরু করে। তখন দুধ খাইয়ে তাদের ঘুম পড়ানোর চেষ্টা করেন কনা। কিন্তু তাদের কান্না না থামায় তিনি নাক-মুখ চেপে ধরে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে নিয়ে ফেলে দেন। পুলিশ আরও জানায়, হত্যার পর কনা নাটক সাজান যে, তিনি ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তার বিছানা থেকে বাচ্চা দুটি উধাও হয়ে গেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক কনার বাবা শেখ খায়রুজ্জামান ও মা শরিফা বেগমকে শনিবার সকালে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কনা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছেন। তাকে আদালতে পাঠানো হবে। জানা যায়, দুই কন্যাশিশুকে নিয়ে কয়েকদিন আগে বাবার বাড়ি বেড়াতে এসেছিলেন মা কনা খাতুন। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে দুই শিশুকে দুধ খাওয়ানোর পর ঘুমিয়ে পড়েন বলে দাবি করেন মা। এর ঘণ্টা খানেক পর শিশুদের আর খুঁজে পাচ্ছিলেন না তিনি। তার ডাক-চিৎকারে ঘুম ভাঙে বাড়ির অন্যদের। সে সময়ে শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন না স্বামী মাসুম বিল্লাহ। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর শিশুদের মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। ৪ বছর আগে বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলার গাংনি গ্রামের মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে কনা’র বিয়ে হয়েছিল।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম