ঢাকা ১৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে ষড়যন্ত্র: সার্বভৌমত্বের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ ছেলে-মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন বাবা পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ বরগুনার তরুণ মোঃ সোহানুর রহমান সৈকত ফাইনালিস্ট হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ মৃত্যু সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে ভারত থেকে দেশে আসছে ১৯টি নতুন রেলবগি হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র: বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে ফের বোমাসদৃশ প্রেসারকুকার উদ্ধার, ঘটনাস্থলে ডিসপোজাল ইউনিট আ. লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা কানাডার

কাক চিকিৎসা নিতে নিজেই হাজির হাসপাতালে

#

১৬ এপ্রিল, ২০২৬,  12:24 PM

news image

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে নিজেই হাজির হলেন পক্স রোগে আক্রান্ত একটি কাক। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে বাঁশখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হাসপাতালের বারান্দার প্রবেশ মুখে কাকটি দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপন নন্দী ও প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ ডা. জুলকারনাইন শাওন ওই কাকের চিকিৎসা করেন। এদিকে কাকের চিকিৎসা নেওয়ার কয়েকটি ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তে ভাইরাল হয়। উপজেলা ডা. প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ ডা. জুলকারনাইন শাওন বলেন, 'সকাল ৯টার দিকে আমরা হাসপাতালের গেট পেরিয়ে রুমে প্রবেশ করতেই দরজার প্রবেশ মুখে একটি কাক দেখতে পাই। আমরা সেটাকে সুস্থ-স্বাভাবিক কাক মনে করে যে যার মতো করে রুমে ডুকে যায়। পরে কাকটি (ডাক) চিৎকার করে করে আমাদের দিকে চলে আসলে আমরা সেটাকে হাতে নিতেই দেখি কাকটি পক্স রোগে (ভাইরাস) আক্রান্ত। এরপর আমি ও স্যার মিলে কাকটিকে চিকিৎসা করি। তিনি আরও বলেন, পরে যখন চিকিৎসা দেওয়া শুরু করা হয়, আশ্চর্যজনকভাবে কাকটি শান্ত হয়ে যায়, কোনো বাধা দেয়নি। প্রথমে কাকটির ক্ষতস্থান ভায়োডিন দিয়ে পরিষ্কার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর ব্যাথানাশক ঔষধ ও অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে। কাকটির শরীরে অসংখ্য চামড়া পিণ্ড (বিষফোড়া) ছিল। সময় মত চিকিৎসা না পেলে কাকটি মারা যেতো। মূলত কাকটি বাকপ্রতিবন্ধী মানুষের মতো নিজেই তার চিকিৎসার জন্য ছুটে আসছিল। বর্তমানে কাকটি সুস্থ রয়েছে। কিছুক্ষণ পর পর গাছের ডাল থেকে হাসপাতালে বারান্দায় আসছেন। আবার উড়ে চলে যাচ্ছেন। কাকটিকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতেছি আমরা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম