ঢাকা ২৪ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট সীতাকুণ্ডে মসজিদে মিললো ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ ৩৯ বছরেও ফুটবলের সিংহাসনে তিন প্রজন্মের রাজপুত্র লিওনেল মেসি সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে ঘানার সঙ্গে ড্র, তবু আতঙ্কের কিছু দেখছে না ইংল্যান্ড বিপৎসীমার নিচে তিস্তার পানি, স্বস্তিতে পাড়ের মানুষ সাপাহার সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় অবস্থান ডিআর কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউটে কলম্বিয়া ইরানের সঙ্গে চুক্তিকে ট্রাম্পের পরাজয় মনে করছেন মার্কিনিরা, তারা হতাশও

কবে শতভাগ শিশু হামের টিকার আওতায় আসছে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ এপ্রিল, ২০২৬,  3:49 PM

news image

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শতভাগ শিশুকে হামে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর শ্যামলীতে টিবি হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জন্য জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধের ঔষধ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এই কথা জানান তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ হস্তান্তর করা হয়েছে। যা যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে। ভ্যাক্সিন ও সিরিঞ্জের কোনো সংকট নেই, আগামীকাল দেশের সব কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।’ভ্যাকসিন সংকট নিয়ে একটি খবরের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মিরপুর নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পোলিও ভ্যাকসিন সংকট নিয়ে গতকাল একটা নিউজ হয়েছে। আমরা বিষয়টির খোঁজ নিয়েছি। রোগী ভ্যাকসিন হাতে পেলেও যাওয়ার সময় ব্যাগে আর নেয়নি। পরে এসে বলেছে পোলিও ভ্যাকসিনটা নাই। আর সাংবাদিক হয়তো পুরাটা শুনে বা না শুনে ভুলভাবে লিখে দিয়েছে। পোলিও ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই। আমার কাছে সব হিসাব রয়েছে।টাকা থাকলেও এসব ব্যবস্থাপনা নিয়ে গত ১৭ বছর কোনো কাজ হয়নি দাবি করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ঠিকমতো কোনো কিছু বাস্তবায়ন হয়নি। আমি কাউকে দোষ দিবো না। আমরা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছি।হামের সংক্রমণ ও টিকাদান সম্পর্কে তিনি বলেন, গত ছয়টা বছর হাম প্রতিরোধে শিশুদের কোনো ভ্যাক্সিনেশন হয় নাই। আমরা জরুরি ভিত্তিতে তা শুরু করি। ইউনিসেফ, গ্যাভি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আমেরিকা যৌথভাবে যদি হেল্প না করত, তাহলে দেশের এই মানচিত্র আজকে অন্যরকম হতে পারত। আরও অনেক বেশি ক্ষতি হতো।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরেন, আগামী মাসের পাঁচ তারিখে সারা দেশে ভ্যাকসিন দেয়ার কথা ছিল। আমি সেটা ১৪ দিন এগিয়ে এনেছি। আমরা যখন হামের টিকা হাতে পেয়েছি, নির্ধারিত সময়ের জন্য আর অপেক্ষা করিনি। আমরা ২০ এপ্রিল থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছি।বর্তমানে টিকাদানের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, লক্ষ্যমাত্রার ৬১ শতাংশ আমরা কাভার করে নিয়েছি। আগামী এক সপ্তাহে শতভাগ শিশু হামের টিকার আওতায় চলে আসবে। এরইমধ্যে অনেক জায়গায় শতভাগ হয়ে গেছে। হামের টিকা কার্যক্রম শুরু করা প্রথম ৩০টি উপজেলায় এখন একটাও হামের রোগী নাই।রোগীদের চাপ সামলানো এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, রোগীর চাপ সামলাতে আমরা তাঁবুরও ব্যবস্থা করছি। আগামীকাল থেকে ইউনিভার্সিটি প্লেগ্রাউন্ডে তাঁবু স্থাপন শুরু হয়ে যাবে। আমরা চাই না ডেঙ্গু রোগী আসুক। আমি চিকিৎসা জন্য চেষ্টা করতে পারব, কিন্তু সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিরোধ করা। কাজেই আমরা সিটি করপোরেশনকে বলেছি যাতে ওনারা মশক নিধনে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম