ঢাকা ১৯ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: রিজভী হামে মারা যাওয়া শিশুদের ৮২ শতাংশ পর্যাপ্ত বুকের দুধ পায়নি ভূমি অফিস মনিটরিংয়ে ডিসিদের ১৪ নির্দেশনা স্বামীর মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন দীপু মনির নড়াইলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে, বেতন কমল ৫ জনের প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামতে প্রস্তুত শরিফুল

কঙ্গোতে ইবোলার নতুন শঙ্কা: এতিমখানায় ছড়াল সংক্রমণ, দুই শিশুর মৃত্যু

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১১ জুন, ২০২৬,  10:57 AM

news image

কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলে ইবোলার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই এক নবজাতকের মৃত্যু নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। জন্মের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে শিশুটির মৃত্যু এবং পরবর্তী পরীক্ষায় ইবোলা সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ায় স্থানীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ‘বাসওয়াজা’ নামের ওই নবজাতকের মা মে মাসের শেষ দিকে মারা যান। এরপর শিশুটিকে পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশের বুনিয়া শহরের একটি গির্জা পরিচালিত এতিমখানায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরই তার জ্বর দেখা দেয় এবং কয়েক দিনের মধ্যেই অবস্থার অবনতি হয়ে মৃত্যু ঘটে। পরে পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়, সে ইবোলায় আক্রান্ত ছিল।

এই ঘটনার পর এতিমখানাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাসওয়াজার সংস্পর্শে থাকা আরও কয়েকজন শিশুর মধ্যে উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত তাদের চিকিৎসার আওতায় আনা হয়। ৬৯ জন শিশুর ওই প্রতিষ্ঠানে আক্রান্ত ও ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষার পর পাঁচ শিশুর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে এবং তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এক বছরের কম বয়সী আরেক শিশুর শরীরেও ইবোলা শনাক্ত হয়। ‘শেরি’ নামে পরিচিত ওই শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

বুনিয়ার ইভানজেলিক্যাল মেডিকেল সেন্টারের প্রধান ডা. ফ্রেডি কিবওয়ানা জানান, চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইবোলার মতো সংক্রামক রোগে শিশুদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ বা সীমিত স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বর্তমানে আক্রান্তদের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও কাজ করছে। সূত্র : রয়টার্স।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম