ঢাকা ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বগুড়ায় গ্রেপ্তার হিরো আলম সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি ‘মেরুদণ্ড সোজা রেখে’ সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় সরকার: শামা ওবায়েদ কক্সবাজারে মেসুত ওজিল, সঙ্গে এরদোয়ানের ছেলে বিলাল দুর্নীতি বা তদবির বাণিজ্য সহ্য করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী রমজানেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড: আবদুল আউয়াল মিন্টু দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ছাতক শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করবে না এই সরকার: ববি হাজ্জাজ

কক্সবাজারকে অপরিকল্পিত নগর না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ মে, ২০২২,  2:18 PM

news image

কক্সবাজারকে অপরিকল্পিত নগর না করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী উন্নয়ন করতে হবে। প্রাচ্য-পাশ্চাতের সেতুবন্ধন ও আন্তর্জাতিক বিমানের রিফুয়েলিং পয়েন্ট হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত বহুতল ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।  অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার এত চমৎকার একটা জায়গা—এটা পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা একান্তভাবে অপরিহার্য। কক্সবাজারবাসীর কাছে আমার একটা অনুরোধ থাকবে, যত্রতত্র কোনও স্থাপনা করবেন না। কক্সবাজারে আমরা অনেকগুলো প্রকল্প নিয়েছি। একটা মাস্টার প্ল্যান করার নির্দেশ দিয়েছি পুরো কক্সবাজার ঘিরে। আমরা চাই, এর উন্নয়নটা যাতে পরিকল্পিতভাবে হয়। দ্বীপগুলোতে যে উন্নয়ন কাজ হচ্ছে সেগুলো সম্পন্ন হলে বিশ্ববাসী বিস্মিত হবেন বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী উন্নয়ন কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি। পর্যটনখাতের প্রসারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হলে আকাশ পথের রিফুয়েলিংএর অন্যতম স্থান হবে কক্সবাজার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যারা পশ্চিমা দেশ থেকে পাশ্চাত্যে দেশে যারা যায়, তারা কিন্তু এই কক্সবাজার থেকে রি-ফুয়েলিং করবে। রি-ফুয়েলিংয়ে বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন সময় অগ্রাধিকার পায়। এক সময় হংকং ছিল এরপর থাইল্যান্ড অথবা সিঙ্গাপুর এখন দুবাই। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কক্সবাজারই হবে আন্তর্জাতিক আকাশ পথের রি-ফুয়েলিংয়ের একটি জায়গা। জাতিসংঘেরও আগে সমুদ্রসীমার অধিকার নিশ্চিতে আইন করলেও দুর্ভাগ্যজনক ভাবে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সমুদ্রসীমার অধিকার আদায়ে কেউ উদ্যোগ নেয়নি বলে আক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এত দূরদর্শী নেতৃত্ব ছিল, আপনারা দেখেন, ১৯৭৪ সালে তিনি সমুদ্রসীমা আইন করেন। এমন কী জাতিসংঘও কিন্তু তখন করেনি। জাতিসংঘ করেছে ৮২ সালে। কিন্তু ১৯৭৪ সালে এই বিশাল সমুদ্রে আমাদের যে অধিকার রয়েছে, সে অধিকার নিশ্চিত করবার জন্য জাতির পিতা এই আইনটি করে দিয়ে যান। আমাদের দুর্ভাগ্য ৭৫ সালে নির্মমভাবে তাকে হত্যার পর যারা ক্ষমতা দখল করেছিল, তারা এই সমুদ্রসীমায় আমাদের অধিকার নিয়ে কখনোই কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। ঝড় জলোচ্ছাস থেকে সমুদ্র সৈকতকে রক্ষায় প্রাকৃতিক বেষ্টনি গড়ে তোলার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। স্বল্প জমি, অধিক জনসংখ্যার বাংলাদেশে চাষাবাদযোগ্য এক উঞ্চি জমিও যেনো পতিত না থাকে সেদিকে সবাইকে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান সরকার প্রধান।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম