ঢাকা ১৬ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের পরিচিতি সভা লিটনের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরি, ধ্বংসস্তূপ থেকে টানছেন টাইগারদের বাগদাদে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু সারা হয়ে আসছেন মৌ ডিজিটাল সার্ভে কনসালটেন্ট-এর উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জাবি ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টাকারীর সন্ধান চেয়ে পুরস্কার ঘোষণা ফারাক্কা চুক্তিই বলে দেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকবে কি না: মির্জা ফখরুল অর্থনীতি ঋণাত্মক অবস্থায়, ঘুরে দাঁড়াতে লাগবে অন্তত ২ বছর: অর্থমন্ত্রী ফারাক্কা ব্যারাজের বিরূপ প্রভাব শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতেও পড়ছে: রিজভী

এস আলম ও তার ভাইয়ের দুই ব্যাংকে থাকা শেয়ার জব্দের নির্দেশ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ ডিসেম্বর, ২০২৪,  11:02 AM

news image

ঋণখেলাপির মামলা

আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলম মাসুদ (এস আলম) ও তার ভাই আবদুস সামাদ লাবুর ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকে থাকা সব শেয়ার জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জনতা ব্যাংকের ১ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকার ঋণখেলাপির করা মামলায় রবিবার বিকালে অর্থঋণ আদালত চট্টগ্রামের বিচারক মুজাহিদুর রহমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে, এদিন দুপুরে সাইফুল আলম, তার ভাইসহ ২৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকার ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলা করে ঢাকার প্রধান কার্যালয় ও নগরের আগ্রাবাদ সাধারণ বিমা ভবন শাখা কার্যালয়ের পক্ষে কর্মকর্তা সত্যজিৎ ঘোষ।

এ নিয়ে অর্থঋণ আদালত চট্টগ্রামের বেঞ্চ সহকারী রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, ঋণখেলাপির মামলায় আদালত এস আলমের ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও তার ভাই আবদুস সামাদ লাবুর আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকে থাকা শেয়ার জব্দের আদেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার এই ঋণের এত বড় অনিয়ম কীভাবে হলো, সেটি তদন্ত করার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।’

এস আলম ও আবদুস সামাদ ছাড়া মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন তাদের আরেক ভাই রাশেদুল আলম, শহীদুল আলম, এস আলমের স্ত্রী ফারাজানা পারভীন, আবদুস সামাদের স্ত্রী শাহানা ফেরদৌসসহ তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ফালিয়ে ভারতে চলে যান। তার সরকারের আমলে গত এক দশকে সাইফুল আলম ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যাংক দখল, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এর পেছনে ছিল রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক প্রশ্রয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম