ঢাকা ২৪ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু মেডিকেল কলেজে ৫০ ও জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতিহাস গড়ে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ষষ্ঠ স্থানে বাংলাদেশ দেশের বিমান খাত নিয়ে সরকারের বিশাল পরিকল্পনা তুলে ধরলেন বিমানমন্ত্রী রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা, কারণ জানাল পুলিশ রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু জানালা দিয়ে পানি চাইছিল দুই শিশু, তালা ভেঙে মিলল মায়ের মরদেহ ফেসবুকে শিক্ষকদের সরকারবিরোধী পোস্ট মনিটরিংয়ে নতুন নিয়ম গ্যাসের অভাবে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম, শম্পা বেগমের পরিবারে 'ঈদের' চেয়ে খুশি

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৯ জুলাই, ২০২২,  4:51 PM

news image

দীর্ঘ আট বছর নিঃসন্তান থাকার পর যেন আনন্দের বাঁধভাঙ্গা জোয়ার এসেছে গৃহবধূ শম্পা বেগমের পরিবারে। একসঙ্গে চারটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। সোমবার (১৮ জুলাই) রাতে যশোর শহরের কুইন্স হসপিটালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তিনি এই সন্তান জন্ম দেন। শম্পা বেগম যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসী কুদ্দুস মোল্যার স্ত্রী। তবে একসঙ্গে চার শিশু জন্ম নেয়ায় একটি শিশুর ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম। তার শারীরিক অবস্থা ‘ক্রিটিক্যাল’ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই আদ্-দ্বীন হাসপাতালে রেফার করা হয়। শম্পা বেগমের স্বজনেরা জানান,

সোমবার দুপুরে শম্পার প্রসব বেদনা উঠলে তাকে কুইন্স হসপিটালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই রাত সাড়ে নয়টার দিকে ডা. প্রতিভা ঘরাই’র তত্ত্বাবধায়নে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে চারটি সন্তান প্রসব করেন শম্পা। চার সন্তানের মধ্যে দু’টি পুত্র ও দু’টি কন্যা। অপারেশনরে পর শম্পা ও তিন নবজাতক সুস্থ রয়েছেন। তবে একসঙ্গে চার শিশু জন্ম নেয়ায় একটি শিশুর ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম। তার শারীরিক অবস্থা ‘ক্রিটিক্যাল’ হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই আদ্-দ্বীন হাসপাতালে রেফার করা হয়। শম্পা জানান, তার স্বামী কুদ্দুস মোল্যা বর্তমানে মালয়েশিয়া রয়েছেন। চার সন্তান জন্মগ্রহণের খবরের তিনি খুশি। চার সন্তানের জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. প্রতিভা ঘরাই বলেন, নবজাতকদের স্বাভাবিক ওজন হলো আড়াই কেজি। কিন্তু এই চার নবজাতকের মধ্যে একজনের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম হওয়ায় তাকে আদ-দ্বীন হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। ওই শিশুটি দ্রুত সুস্থতা লাভ করবে বলে আমরা আশাবাদী।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম