ঢাকা ২৪ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু মেডিকেল কলেজে ৫০ ও জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতিহাস গড়ে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ষষ্ঠ স্থানে বাংলাদেশ দেশের বিমান খাত নিয়ে সরকারের বিশাল পরিকল্পনা তুলে ধরলেন বিমানমন্ত্রী রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা, কারণ জানাল পুলিশ রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু জানালা দিয়ে পানি চাইছিল দুই শিশু, তালা ভেঙে মিলল মায়ের মরদেহ ফেসবুকে শিক্ষকদের সরকারবিরোধী পোস্ট মনিটরিংয়ে নতুন নিয়ম গ্যাসের অভাবে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

ঈদ শেষে দৌলতদিয়ায় রাজধানীতে ফেরা মানুষের ঢল

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ মে, ২০২২,  9:16 PM

news image

ছবি : সংগৃহীত

নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে জীবিকার তাগিদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ফিরতে শুরু করেছে। শুক্রবার (৬ মে) সকাল থেকেই কর্মস্থলে ফেরা মানুষ ও তাদের বয়ে আনা বিভিন্ন যানবাহনের চাপ শুরু হয় দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে যানবাহন ও মানুষের ঢল। সরেজমিন দেখা যায়, দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে গিয়ে যাত্রীদের উপচে পরা ভিড়। তবে পর্যাপ্ত লঞ্চ থাকায় সেখানে তেমন ভোগান্তি নেই। তবে ধারণ ক্ষমতার অধিক যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে বলে অনেক যাত্রীই অভিযোগ করেন। অপর দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পল্টুনে দেখা যায়, ভেঙে ভেঙে আসা অসংখ্য যাত্রী ফেরিতে পদ্মা নদী পারি দিয়ে গন্তব্যে ফিরছেন। প্রতিটি ফেরিতে সাধারণ যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। সাধারণ যাত্রীর চাপে ফেরিতে যানবাহনের পূর্ণ লোড নেয়া সম্ভব হয়নি। প্রতিটি ফেরির ডেকে সাধারণ যাত্রীদের ভিড়ে যানবাহন উঠার মত পরিস্থিতি ছিল না। এদিকে কর্মস্থলে ফেরা  মানুষকে বয়ে আনা স্থানীয় যানবাহন ও দূরপাল্লার যানবাহনের চাপে দৌলতদিয়া ঘাট অভিমুখে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া নদী পারের অপেক্ষায় আটকে থাকা যানবাহনের সারি অন্তত সাড়ে ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে। এতে করে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ ফিডমিল পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এলাকায় পারের অপেক্ষায় আটকে পরে ৪ শতাধিক ছোট-বড় যানবাহন। ফরিদপুর থেকে আসা যাত্রী আশিকুর রহমান বলেন, ফরিদপুর থেকে ভেঙে ভেঙে তিনি ঘাট পর্যন্ত এসে পৌঁছেছেন। এতে সড়কে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ ভারা লেগেছে তার। এরপর ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কুষ্টিয়া থেকে আসা জেআর পরিবহনের যাত্রী তাহমিনা আক্তার বলেন, ঈদে বাড়ি যেতে এই ঘাটে তেমন একটা ভোগান্তি না হলেও এখন ফিরে যেতে ভোগান্তি হচ্ছে। তীব্র রোদের মধ্যে প্রচণ্ড গরম সহ্য করে নদী পারের জন্য বাসের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে আছি। জানি না কতক্ষণে ফেরি নাগাল পাবে বাসটি। অপরদিকে দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি ও লঞ্চে যাতে কেউ বাড়তি টাকা না নিতে পারে সেজন্য জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নজরদারি করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে যাতে সবাই নিয়ম মেনে পার হয় সেজন্য বাড়তি পুলিশ মোতায়েন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদারকি করতে দেখা গেছে। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শিহাব উদ্দিন বলেন, এই ঈদে যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ২১টি ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। যারমধ্যে ২টি ফেরি বিকল হয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় ভাসমান কারখানা মধুমতীতে মেরামতে রয়েছে। বাকি ১৯টি ফেরি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম