ঢাকা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী একযোগে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ভারতে একের পর এক ঐতিহাসিক মসজিদ ভাঙার হিড়িক এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ফের শুরু হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার ও সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: ন্যায়বিচারে নতুন দিগন্ত বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে শুল্কছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র জেলা শহরে চালু হচ্ছে স্কুলবাস

আয়-রোজগার বাড়ার দোয়া ও আমল

#

১৫ আগস্ট, ২০২৬,  4:53 PM

news image

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي وَوَسِّعْ لِي فِي رِزْقِي وَبَارِكْ لِي فِيمَا رَزَقْتَنِي 

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লি জাম্বি, ওয়া ওয়াসসি লি ফি রিজকি, ওয়া বারিক লি ফিমা রাজাকতানি। 

অর্থ: হে আল্লাহ, আমার গুনাহ ক্ষমা করে দিন, আমার রিজিক প্রশস্ত করে দিন এবং আপনি আমাকে যে জীবিকা দান করেছেন তাতে বরকত দান করুন।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবীজি (সা.)-কে রাতে উল্লিখিত দোয়া পাঠ করতে শোনেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৫০০)


নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়-রোজগার বাড়ার জন্য এই দোয়া শিখিয়ে দিয়েছেন।  


পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘তিনিই তোমাদের জন্য জমিনকে সুগম করে দিয়েছেন, কাজেই তোমরা এর পথে-প্রান্তরে বিচরণ করো এবং তার রিজিক থেকে আহার করো।’ (সুরা মুলক: ১৫)


আয়-রোজগার বাড়ার বেশ কিছু আমল রয়েছে। তবে এ কথা মনে রাখতে হবে অঢেল আয়-রোজগারেই সুখ ও মানসিক শান্তি নেই। এর জন্য বেশকিছু আমল রয়েছে যার মাধ্যমে জীবনে বরকত আসে, অল্পতেও অনেক তৃপ্তি ও মানসিক প্রশান্তি মেলে।

 

তাকওয়া অর্জন করা

তাকওয়া মানে হচ্ছে মহান আল্লাহর ভয়। এটি আয়-রোজগার লাভের অন্যতম একটি উপায়, এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য নিষ্কৃতির পথ বের করে দেবেন। এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দেবেন।’ (সুরা তালাক, আয়াত : ২-৩)।

 

হাফেজ ইবনে কাসির (রহ.) উপরোক্ত আয়াত দুটির তাফসির প্রসঙ্গে বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশাবলি পালন করে এবং তার নিষিদ্ধ কার্যাবলি থেকে বিরত থেকে তাকওয়া অবলম্বন করে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য সব বিপদাপদ থেকে মুক্ত হওয়ার পথ করে দেবেন এবং যেখান থেকে সে রিজিক লাভ করার কথা স্বপ্নেও চিন্তা করে না; সেখান থেকে তাকে রিজিক দেবেন। (তাফসিরে ইবনে কাসির ৪/৪০০)

 

পাপাচার থেকে মুক্ত থাকা

সবসময় পাপাচার থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখা। কারণ নেক আমল ও ভালো কাজে যেমন মানুষের জীবন-জীবিকায় বরকত আসে, তেমনি পাপ কাজ জীবন-জীবিকার বরকত নষ্ট করে। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কেবল দোয়াই ভাগ্য প্রতিহত করে, নেক কাজে আয়ু বাড়ে আর বান্দা পাপের কারণে জীবিকা থেকে বঞ্চিত হয়।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২২৪১৩)

 

হালাল পন্থায় আয়

রিজিকে বরকতের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হালাল পন্থায় আয় করা। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘হালাল জীবিকা সন্ধান করা নির্ধারিত ফরজসমূহের পরে বিশেষ একটি ফরজ।’ (শুআবুল ইমান, বায়হাকি; কানযুল উম্মাল: ৯২০৩)। 

 

দান করা

দান-সদকা মানুষের জীবনে বরকত নিয়ে আসে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে আদম সন্তান! তুমি খরচ করো, তোমার জন্য খরচ করা হবে (অর্থাৎ প্রাচুর্য আসবে)।’ (বুখারি: ৫৩৫২)

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম