ঢাকা ১২ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ছেলে-মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন বাবা পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ বরগুনার তরুণ মোঃ সোহানুর রহমান সৈকত ফাইনালিস্ট হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ মৃত্যু সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে ভারত থেকে দেশে আসছে ১৯টি নতুন রেলবগি হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র: বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে ফের বোমাসদৃশ প্রেসারকুকার উদ্ধার, ঘটনাস্থলে ডিসপোজাল ইউনিট আ. লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা কানাডার সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর

আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ মে, ২০২৬,  4:24 PM

news image

সম্প্রতি বেশকয়েকটি সাক্ষাৎকারে শেয়ার মার্কেটের দুর্নীতির তদন্ত চেয়েছেন সাকিব আল হাসান। এর মধ্যেই আড়াইশো কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারির অভিযোগে তদন্তের অংশ হিসেবে বিএসইসি থেকে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানসহ ১৫ আসামির বিভিন্ন নথিপত্র জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পুঁজিবাজারে আলোচিত কারসাজির ঘটনায় সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জব্দ করেন দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা। গত বছরের জুনে দায়ের করা দুদকের মামলায় বলা হয়, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুদ্ধ করে সাকিব আল হাসান ও তার সহযোগীরা ২৫৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। এর মধ্যে সাকিবের বিরুদ্ধে সরাসরি ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। মামলায় বলা হয়, আলোচিত কারসাজিকারী আবুল খায়ের হিরুর মাধ্যমে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগ করেছিলেন এই অলরাউন্ডার। পরে তিনি মার্কেট ম্যানিপুলেশনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার মাধ্যমে প্রলুব্ধ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগেও নথিপত্র সংগ্রহ করছে দুদক। এদিকে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানিয়েছেন, মাঝেমধ্যে নিউজে আসে যে অনেক সমস্যা আছে, কিন্তু কেউ বিস্তারিত বলতে পারে না। কেউ বলল যে, ‘শেয়ার মার্কেটের কারসাজি আছে।’ তো সেটা কি? দুই বছর ধরে কেউ কিছু প্রমাণ করতে পেরেছে? রাজনৈতিক মামলা একটা আছে, হত্যা মামলা। সেটাও তো দেড় বছরে কিছু এগোয়নি!  ‘আর একটা চেক বাউন্সের মামলা আছে, সেটা একদম বেসিক জিনিস, যদি আপনি ইনস্টলমেন্ট না দিতে পারেন, সাইন করা যে চেকগুলো থাকে, ওটা নিয়ে ব্যাংক মামলা করে। সেটা খুবই নরম্যাল ব্যাপার এবং এটা রিশিডিউলও করা যায়, টাকা দিলে সেই মামলা বন্ধ হয়ে যায়। আমি যে সেটা করব, আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রেখেছে ফ্রিজ করে।’ তিনি বলেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ কেন? হয়তো তাদের মনে হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা দরকার। এখন তো দেড় বছর হয়ে গেল সেই তদন্ত! কিছুই তো এখনও পর্যন্ত পায়নি! আমার বিশ্বাস, কিছুই পাওয়ার কোনো চান্স নাই।  সাকিব জানিয়ে দ্রুত তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্ত করা উচিত। তার ভাষ্য, লোকের কথা শুনলে মনে হয় যে, আমার কয়েক হাজার সমস্যা এবং সমস্যা সমাধান করতে কয়েক দশক লেগে যাবে। আসলে ইচ্ছে থাকলে কতদিন লাগতে পারে? তদন্ত করে দোষ প্রমাণিত হলে অ্যাকশন নিন। তদন্তে কিছু না পেলে ক্লিয়ারেন্স দিন, রিলিজ দিন। আমার অ্যাকাউন্ট ওপেন হয়ে গেলে রিশিডিউল করে আমি কালকেই এটা জমা দিয়ে দিলে পরশুদিন ওরা মামলা তুলে নেবে!

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম