ঢাকা ১৭ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকেরা: শিক্ষামন্ত্রী হাদি হত্যা মামলায় সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ জুন জনগণের টাকা পাচার হতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী দেশে প্রথমবারের মতো ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে সরকার ফ্যাসিস্ট আমলের লুটপাটে ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিগারেট-মদের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মিছিল দেখে ‘ভাষা হারিয়েছেন’ আইনমন্ত্রী প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন হামলা ৬ টুকরো করে শিশু আয়াত হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড ফ্যামিলি কার্ডের তৃতীয় ধাপের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হলেন আফরোজা আব্বাস

আলোচিত তাবাচ্ছুম ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার শুরু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৭ জুন, ২০২৬,  12:57 PM

news image

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী ৪ বছর বয়সী শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হয়েছে। সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাত্র সাড়ে তিন মাসের (১১০ দিন) মাথায় মঙ্গলবার (১৬ জুন) আদালত আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন। বুধবার (১৭ জুন) থেকেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। ঝিনাইদহ আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন গত ২৬ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিজ্ঞ বিচারক সালেহুজ্জামানের আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। পরে মঙ্গলবার আদালতে সরকার পক্ষে পিপি অ্যাডভোকেট আকিলুল ইসলাম এবং রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামির আইনজীবী অ্যাডভোকেট তরিকুল আলমের উপস্থিতিতে শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করেন।

কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহের একটি সিগারেট কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি উপজেলার ফরাসপুর গ্রামের মৃত শফি উদ্দীনের ছেলে এবং বাদেডিহি গ্রামে নিহত শিশু তাবাচ্ছুমদের বাড়ির পাশেই ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে বাদুরগাছা গ্রামের একটি ভাড়া বাড়িতে চিপস ও জুস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশু তাবাচ্ছুমকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন আবু তাহের। এ সময় শিশুটি চিৎকার করতে গেলে আবু তাহের নিজের লুঙ্গি দিয়ে তার মুখ ও নাক চেপে ধরে। কিছুক্ষণের মধ্যেই দম আটকে মার যায় শিশুটি। ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই রাতেই মরদেহ একটি বস্তায় ভরে পাশের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে রাখেন তাহের। ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেলেও পুলিশ তৎপরতা চালিয়ে ওই দিন মধ্যরাতেই কুষ্টিয়া শহরে ভাইয়ের ভাড়া বাসা থেকে আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাহের তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা স্বীকার করেন। নিহত তাবাচ্ছুমের বাবা নজরুল ইসলাম একটি দর্জির দোকানের কর্মচারী এবং মা হালিমা খাতুন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ওয়েব ফাউন্ডেশন’-এ চাকরি করেন। এদিকে আবু তাহেরের দ্রুততম সময়ে ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন নিহত তাবাচ্ছুমের বাবা-মা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম