ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য: তারেক রহমান প্রাইভেটকার-ইজিবাইক সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৮৬ জন মমেক হাসপাতালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৫৫, নিখোঁজ বহু কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায় হজ শেষে দেশে ফিরলেন ৫৪৩২৩ হাজি, ৫০ জনের মৃত্যু

আদালতে সোহেল ও তার স্ত্রী, আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি আজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৩ জুন, ২০২৬,  11:09 AM

news image

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার বর্বরোচিত মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার আত্মপক্ষের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বুধবার (৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। শুনানি উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসামিদের কঠোর নিরাপত্তায় আদালত চত্বরে হাজির করা হয় এবং বর্তমানে তাদের হাজতখানায় রাখা হয়েছে এদিন আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করার সুযোগ পাবেন আসামিরা। আত্মপক্ষের শুনানি শেষে এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করবেন বিচারক। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার এ মামলায় টানা ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ও মা পারভীন আক্তারসহ সাক্ষীদের জবানবন্দিতে ঘটনার লোমহর্ষক তথ্য উঠে আসে। এ মামলায় গত ১ জুন ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুাল। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গুম করার মত গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। এর আগে গত ২৪ মে রানা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। ওইদিনই অভিযোগপত্র আমলে নেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। মামলায় অভিযোগ করা হয়, পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে পরিবারের সঙ্গে থাকত রামিসা। সে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সোহেল ও স্বপ্না ওই বাসার অন্য ফ্ল্যাটে সাবলেট থাকতেন। ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে আসামিরা কৌশলে তাকে ভবনের তৃতীয় তলায় তাদের রুমে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের রুমের সামনে মেয়েটির স্যান্ডেল দেখতে পায় তার মা। এরপর ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে রামিসার মা ভবনের অন্যদের নিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় সোহেল ও স্বপ্নার রুমে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বাথরুমের বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পায়। স্বপ্না সেখানে দাঁড়ানো ছিলেন। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম