ঢাকা ১৭ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হলেন আফরোজা আব্বাস সিলেট পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, সড়কপথে মৌলভীবাজার যাত্রা আলোচিত তাবাচ্ছুম ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার শুরু সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ১৮ ঘণ্টা পানি সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৬৯৯ হাজি প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ দীর্ঘ বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতের মূলধন পর্যাপ্ততা এখন ঋণাত্মক

আদালতে ডা. সাবরিনা-আরিফ, রায় দুপুরে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ জুলাই, ২০২২,  10:33 AM

news image

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারপারসন ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আজ (১৯ জুলাই)। দুপুরের দিকে এ রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। রায় ঘোষণার আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাদের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের রাখা হয়েছে আদালতের হাজতখানায়। ঢাকা সিএমএম আদালতের হাজতখানার ইনচার্জ নাহিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ডা. সাবরিনাসহ নারী আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। একই সময় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আরিফসহ পুরুষ আসামিদের প্রিজনভ্যানে করে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের রাখা হয়েছে আদালতের হাজতখানায়। রায় ঘোষণার আগে তাদের ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে ওঠানো হবে। তিন বছর আগে ২০২০ সালের ২৩ জুন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে জেকেজি হেলথকেয়ার। কিন্তু এসব নমুনা পরীক্ষা না করেই ২৭ হাজার মানুষকে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া হয়। এ অভিযোগে করা হয় মামলা। মামলার দুই মাসের মাথায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৬৫/৪৭১/৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারিক আদালত। এ ধারাগুলোর মধ্যে দণ্ডবিধি ৪২০ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড। গত ২৯ জুন ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ১১ মে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। গত ২০ এপ্রিল একই আদালতে সাক্ষ্য দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন বিভিন্ন সময়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে ভুয়া রিপোর্ট দেয়। এ অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা করলে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও এবং জেবুন্নেসা। চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে প্রতারণার মূলহোতা বলে উল্লেখ করা হয়। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছেন বলে জানানো হয়। একই বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। সেসময়ও তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম