ঢাকা ২৭ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম প্রতিরোধে জোরদার কার্যক্রম, চিকিৎসক সংকটেও থেমে নেই ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বিমানবন্দরে হারিয়ে যাওয়া শিশু আনসারদের সহায়তায় উদ্ধার অপরাধ ও মাদকমুক্ত সাতক্ষীরা গড়তে কঠোর অবস্থানে পুলিশ: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার ঘটনা তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ‘বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে’ হাম উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮২৫ সাতক্ষীরার আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গ্রেপ্তার উগ্র ইসলামপন্থিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল বুরকিনা ফাসো বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়ল ঢাকাসহ সারাদেশে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে টানা ৫ দিন

আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ নভেম্বর, ২০২১,  10:12 AM

news image

আজ শুক্রবার (১২ নভেম্বর)। ১৯৭০ সালের এদিনে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ‘গোর্কি’র আঘাতে দক্ষিণাঞ্চলের ৪ লাখেরও বেশি ঘর-বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৩৬ লাখ মানুষ। শুধু ভোলাতেই মারা যায় অন্তত ৫ লাখ মানুষ। লন্ড-ভন্ড হয়ে গিয়েছিলো ভোলার বিস্তীর্ণ জনপদ। আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় গাছে উঠে প্রাণ বাঁচায় অনেকে। গোর্কির আঘাত এবং জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহতা এতই নির্মম ছিলো যে সেই দিনের কথা মনে পড়লে আজও আতঙ্ক আর ভয়ে শিহরে ওঠে সেখানকার মানুষের প্রাণ। ১৯৭০ সালের বন্যার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষের দুর্দশা সচোখে দেখার জন্য ভোলা সদর, মনপুরা ও কুকরি-মুকরিসহ বিভিন্ন এলাকায় আসেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই ভোলার মানুষের জান-মাল এবং গবাদিপশু রক্ষায় বনায়ন ও কিল্লা নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তবে এখনো প্রয়োজন অনুযায়ী আশ্রয় কেন্দ্র নির্মিত না হওয়ায় বিভিন্ন চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার ৫ লক্ষাধিক মানুষের দিন কাটে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ঝুঁকির মাঝে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম