ঢাকা ০৫ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নয়, জনগণের সুরক্ষার জন্যই সাইবার সিকিউরিটি আইন’ ভুয়া ফেসবুক পেজ বন্ধে মাউশির ৭ দিনের আলটিমেটাম ভিসা থাকলেই ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না বিদেশিরা: দিল্লি হাইকোর্ট সৌদিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের হামলার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ দেশের সব প্রতিষ্ঠানই বিধ্বস্ত: জামায়াত আমির ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিজ দেশ জিম্বাবুয়েতে ফিরেও কাটছে না দুর্ভোগ

আজ প্রত্যাহার হচ্ছে জ্বালানি তেলের রেশনিং

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ মার্চ, ২০২৬,  4:45 PM

news image

জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব ফিলিং স্টেশনে আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে জ¦ালানি তেল সরবরাহ ও বিক্রি চলবে। সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে আজ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে। গতকাল শনিবার জ¦ালানি বিভাগে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন নির্বিঘ্ন রাখতে ডিজেল, পেট্রল ও অকটেন বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা আপাতত প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ফলে আজ থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে আগের মতোই প্রয়োজন অনুযায়ী জ¦ালানি তেল বিক্রি করা যাবে। জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ইরান সংকটের আগে যেভাবে স্বাভাবিকভাবে তেল সরবরাহ ও বিক্রি চলছিল, সেভাবেই কার্যক্রম চালু থাকবে। মূলত ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত এবং পরিবহন খাত সচল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার রাজধানীর গুলিস্তানে এক অনুষ্ঠানে বলেন, দূরপাল্লার বাস ও গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি তেলের রেশনিং তুলে নেওয়া হচ্ছে। ফলে বাসগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত পরিস্থিতিকে ঘিরে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হলে গত ৬ মার্চ থেকে দেশে তেলের রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়। তখন মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক দুই লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি যান ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে সীমা দুই লিটার থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লিটার করা হয় এবং সামগ্রিক রেশনিং ২৫ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামানো হয়। তবে ঈদ সামনে রেখে এখন সেই ব্যবস্থা পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হচ্ছে।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম