ঢাকা ১৭ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
একদিনে ডেঙ্গুতে ৩ জনের প্রাণহানি দুই কোটি হালালে তৎপর ডিডি, চেয়ারম্যান রহস্যজনক নিরবতায় বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের সমাধান ১ বছরেও সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ চায় ঢাকা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাছচাষিদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে চমকপ্রদ তথ্য ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর ভিডিও কলে টাইগারদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কে যা জানা গেল

আইনশৃঙ্খলার উন্নতির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন যাত্রাবাড়ী থানার ওসি ফারুক হোসেন

#

২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪,  11:23 AM

news image

খন্দকার নজরুল ইসলাম সোহেল : প্রাচীনকালে পুলিশের সৃষ্টি হয়েছিলো খাজনা আদায়ের জন্য। যার কারনে প্রাচীনকালে পুলিশ মানুষের ঘাড় ধরে সরকারের খাজনা আদায় করে দিত জনগনের কাছ থেকে। সময়ের পরিক্রমায় সেই পুলিশ আস্তে আস্তে হলেও যথেষ্ট জনবান্ধন পুলিশে পরিণত হয়েছে। জনসেবায় পুলিশের মনোজগতেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী, আড্ডাবাজ ও মানবিক ছেলে-মেয়েগুলো দলেদলে এই বাহিনীতে যোগ দিচ্ছেন। সুতরাং পুলিশে গুণগত পরিবর্তন এখন সাদাচোখেও দৃশ্যমান, যদিও যথেষ্ট ব্যতিক্রম রয়েছে এবং ব্যতিক্রম সবসময় উদাহরণও নয়। আজ আপনি ৯৯৯ এ ফ্রি ডায়াল করলেই পুলিশ আপনার দরজায় গিয়ে হাজির হচ্ছে। আপনি গহীন অরণ্য বা মাঝ নদীতে কোনো সমস্যায় পড়ে শুধুমাত্র একটা কল করলেই আপনার পাশে পৌঁছে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা। করোনাকালে পুলিশ তাঁর ইতিহাসের সেরা মানবিক ও সাহসী গল্প রচনা করেছে।

আইন-শৃংখলা সুরক্ষা ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান কাজ। মানুষ প্রয়োজনে ও বিপদাপদে পুলিশের শরণাপন্ন হয়। নিরাপত্তা, প্রতিকার ও সহায়তা চায়। এক্ষেত্রে পুলিশের আচরণ ও ব্যবহার হওয়া উচিত বন্ধুসুলভ ও সহযোগিতামূলক। কিন্তু বিভিন্ন অভিযোগ ও ঘটনাপ্রবাহ থেকে দেখা যায়, পুলিশের কাছ থেকে সদাচার ও সহযোগিতা কদাচিত পাওয়া যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুলিশের আচার-ব্যবহার অবন্ধুসুলভ, ভোগান্তিকর ও হয়রানিমূলক।ইতিহাসের পাতায় যার জলন্ত উদাহরণ বিগত স্বৈরাচারী  হাসিনা সরকারের সময়ে পুলিশের বাড়া-বাড়ি, সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো পুলিশের একাংশের আচরণ শুধু অবন্ধুসুলভ ছিলোনা ছিলো  সন্ত্রাসীসুলভ আচরণ,  চাঁদাবাজি, গ্রেফতার বাণিজ্য, ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অর্থ আদায় ইত্যাদি করে দিনকে দিন মানুষকে হয়রানির  একটি বেড়াজালে বন্দী করে রেখেছিল হাসিনার দোষর নামধারী কিছু পুলিশ সদস্য।

এবারে গণমাধ্যমকর্মীদের চোখে এক ব্যতিক্রমি পুলিশ অফিসার হিসেবে নাম উঠে এসছে তিনি ডি এম পি যাত্রাবাড়ী থানার ওসি ফারুক হোসেনের নাম, ডি এম পির সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ থানার তালিকায় ছিলো যাত্রাবাড়ী থানা,সেই ক্ষতিগ্রস্থ যাত্রাবাড়ী থানাকে সংস্কার কাজ শেষ করে প্রাণ চাঞ্চল্যের সেবার আওতায় এনেছেন ওসি ফারুক হোসেন। যার কাছে নিরাপত্তার জন্য, আশ্রয়ের জন্য মানুষ ছুটে গেলে হাসিমুখে তিনি মানুষের সমস্যা সমাধানের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন,তিনি যাত্রাবাড়ী এলাকাকে ফুটপাত দখলমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত করেছেন,দিন রাত নিরলস পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের মন জয় করেছেন, যাত্রাবাড়ী থানাকে তিনি এবং তার সকল পুলিশ সদস্যদের নিয়ে  মানব সেবার একটি আদর্শ থানা হিসেবে তিনি উপহার দিতে চান, ওসি ফারুক হোসেনের সাথে কথা বলে জানা গেলো তিনি সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে কাজ করাই তার মূল উদ্দেশ্য, ওসি ফারুক হোসেন মুক্ত খবরকে বলেন আমি আমার পেশাগত দায়িত্ব থেকে মানুষের সেবক হতে চাই, মানুষ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যায় পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে পুলিশের কাছে ছুটে আসে,সেখানে একজন পুলিশ সদস্যের কাজ হলো ঐ ব্যাক্তিকে সঠিকভাবে সাহায্য করা,তিনি  বলেন আমি যাত্রাবাড়ী থানার সকল সাধারণ মানুষদের সাথে নিয়ে একটি উন্নত থানা হিসেবে ডি এম পিতে সুনামের সাথে সেবা দিতে পারি সাংবাদিক সহ  সকলের নিকট  সেই সহযোগীতা তিনি কামনা করেন । 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম