ঢাকা ২৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আসামি গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তার দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বে সিলেটে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির বেতন-ভাতার বাইরে রয়েছে যেসব রাষ্ট্রীয় সুবিধা চিকিৎসা নিতে ভারতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন সাজু, কলকাতায় রেবতীর শেষকৃত্য ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পাকিস্তানে বাড়ছে নারী ধূমপায়ী

অর্থপাচার করে দুবাইয়ে প্রপার্টি কেনা বাংলাদেশিদের তালিকায় আরাভ খান

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ এপ্রিল, ২০২৩,  12:54 PM

news image

দুবাইয়ের গোল্ডেন ভিসাধারী ৫৪৯ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচার করে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের গোল্ডেন ভিসা সুবিধায় ৯৭২টি প্রপার্টি কেনার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে এই তালিকায় রয়েছেন সম্প্রতি আলোচনায় আসা দুবাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ী এবং পুলিশ পরিদর্শক মামুন হত্যা মামলার পলাতক আসামি আরাভ খান। দুদক সূত্র জানায়, ৫৪৯ জন বাংলাদেশি মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ মূলধন সুইচ ব্যাংকসহ বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে পাচার করেন। পরবর্তীতে সেটা দুবাইয়ে স্থানান্তর করে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের গোল্ডেন ভিসা সুবিধায় ৯৭২টি প্রপার্টি কেনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এসব অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য তিন উপপরিচালক রাম প্রসাদ মণ্ডল, মো. আহসান উদ্দিন এবং মো. ইসমাইল হোসেনের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে দুদক। তবে, কারা কারা ওই তালিকায় রয়েছে সেটা নিশ্চিত করেনি দুদক। সংস্থাটির একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র বলছে, তালিকায় আলোচিত আরাভ খানসহ তার পেছনের পৃষ্ঠপোষকদের নামও রয়েছে। যাদের মাধ্যমে খুনের আসামি হয়েও বিদেশ পালিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে দুবাইয়ের রেসিডেন্স ভিসা প্রাপ্তি ও অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন আরাভ খান। যদিও এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে রাজি নয় দুদকের কোনো কর্তা ব্যক্তি। এ বিষয়ে দুদক কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক খান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের কাছে ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।

ব্যক্তি যেই হয়ে থাকুক না কেন আমাদের কাজ হবে বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধান করে অর্থপাচারকারীকে খুঁজে বের করা এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। অভিযোগ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে তারা কাজ শুরু করেছেন। অনুসন্ধানের স্বার্থে প্রয়োজনে দুবাইয়ে যেতেও বাধা নেই। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৯ জুলাই গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় উলুখোলা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে পুলিশ পরিদর্শক মামুনের হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দি পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই খুনের আসামি হয়ে দেশ ছেড়েছিলেন আরাভ খান ওরফে রবিউল ইসলাম। দেশ থেকে পালিয়ে তিনি প্রথমে ভারত যান। কলকাতার একটি বস্তিতে কয়েকবছর বসবাস করার পর তিনি আরাভ খান নামে ভুয়া ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করে দুবাই চলে যান। আরব আমিরাত সরকার ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর তাকে রেসিডেন্ট পারমিট দেয়। এখন তিনি দুবাইয়ের বড় স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সম্প্রতি বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে দুবাইয়ে ‘আরাভ জুয়েলার্স’ নামে একটি স্বর্ণের দোকানের উদ্বোধন করেন তিনি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম